মায়ের পরে চায়ের গল্প
আসসালামু আলাইকুম, আমার পরিবার চা পান করে, সেই সুবাদে আমিও ছোট থেকেই চা পান করে আসছি।তখন আমি গ্রামে থাকি নানুর সাথে,প্রতিদিন সকালে চা পান করতাম তার সাথে মিস্ট্রি আলু,গমের গুরো, গমের রুটি,সল্ট বিস্কুট,মুড়ি ইত্যাদি থাকতো।তখন চার চা কেন পান করে বুঝতামনা।মিস্ট্রি লাগতো তাই পান করতাম।২০০৬ সালে ঢাকাই চলে আসি।তখন সকাল আর সন্ধ্যা দুই টাইম চা পান করতাম মায়ের সাথে।
একদিন মনে হলো চা কেনো পান করবো,এ ভেবে চা পান করা বন্ধ করে দেয়।তার পর অনেক দিন হয়ে যায় চা পান করিনা।
হঠাৎ একদিন ফুফুর বাসায় বেড়াতে যায়,সেখানে বসে ছিলাম আর একটা পেপার দেখতে পাই,বসে ছিলাম তাই পেপারটা পরতে থাকি।একটা পেইজে চা নিয়ে পিজি হাসপাতালের এক ডাক্তারের লেখা তা দেখে মনোযোগ দিয়ে পরতে থাকি,সেখানে লেখা ছিলো প্রতিদিন চা পান করলে মূখে থাকা ব্যাকটেরিয়া মারা যায়।তা দেখার পর থেকে চা পানে আবারও আগ্রহ আসে।তার পর থেকে এখন পর্যন্ত দিনে দুই বারে কম চা পান করা হয়নি।অনেক ধরনের চা কোম্পানির চা পান করেছি,সিলেট, মৌলভীবাজার ইত্যাদি স্থান থেকে চা এনে পান করেছি।কখনো কখনো চায়ের লিকরা মূখে পরতেই অন্য রকম স্বাদ অনুভব করেছি যা মনকে তৃপ্তি দেয়ছে।আবার চা পান করেছি বটে কিন্তু চায়ের স্বাদ ও তৃপ্তি কোনোটাই পাইনি।
আমি যখন কোনো জেলাতে বেড়াতে বা ঘুরতে যায় তখন সেখানকার চায়ের স্বাদ আগে নেই।
বর্তমানে চাঁদপুরের মতলবে অবস্থান করছি,এখনকার চায়ের দোকান গুলোতে চায়ের স্বাদ নিতে আমার কলিগকে সাথে নিয়ে যায়,কিন্তু চায়ের আসল স্বাদ পাইনা।তাই দোকান পরিবর্তন করে করে চা পান করি।কিছুদিন আগে এক কলিগের ভাইয়ের বাসায় গিয়েছিলাম সেখানে চা দিয়েছিলো, তা পান করে আমি সেই পুরোনো চায়ের স্বাদ পেয়েছি মন তৃপ্তি হয়েছে।চুপচাপ না থেকে জিজ্ঞেস করেই ফেললাম এটা কি চা ব্যবহার করেন কলিগের ভাবি বললো একটা নতুন চা,বললাম কি চা সে বললো জার চা( JAR TEAA)।আমি বললাম এই চা কোথায় পাওয়া যাবে উনারা বললো অনলাইন অডার দিয়ে এনেছে।তার পর থেকে চিন্তা করছি আমাদের পরিবারের জন জার চা নিবো।
আমার কাছে মনে হয় চা শুধু চা নয় এটা মনকে তৃপ্তি দেয়।
বিদ্র: আমি সবসময় একট কথায় বলি এই গরিবকে এতো কিছুর আপ্যায়ন করতে হবেনা শুধু একটু চা পান করাইলেই হবে,এতে মূখে স্বাদ আর মনে তৃপ্তি আসে।
